কানাডা ডিবি লটারি

কানাডা ডিবি লটারি

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভাল আছেন। আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আশা করছি এই পোস্টটি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে। এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের জানিয়ে দেবো লটারি, কানাডা যেতে কত টাকা লাগে, বয়স কত লাগে ইত্যাদি সকল বিষয় সম্পর্কে।

 আশা করছি এই পোস্টের মাধ্যমে আপনি কানাডা সকল তথ্য পেয়ে যাবেন। এ পোস্টটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনের মাঝে শেয়ার করে দিবেন। আর নতুন নতুন পোস্ট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। তাহলে আর দেরি না করে চলুন দেখে নেয়া যাক কানাডা ডিভি লটারি সম্পর্কে।

কানাডা ডিবি লটারি কি

ডিবি হলো ডাইভারসিটি এর সংক্ষিপ্ত রূপ। অনেকে আছে যারা আমেরিকার  ডিবি লটারি এবং কানাডা ডিবি লটারি মাধ্যমে সেই দেশে গিয়ে আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করতে চান। আমেরিকা এবং কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ডিবি লটারি সিস্টেম চালু করেছে। যাতে করে অনেক মানুষ কাজের জন্য এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য কানাডায় আসতে পারে। বাংলাদেশ থেকে এই ডিবি লটারির মাধ্যমে অনেক মানুষ গিয়েছে ।২০০৭ সাল থেকে শুরু করে ২০১২ সাল পর্যন্ত ডিভি লটারি এর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রায় ৫০০০০ থেকে ৬০ হাজার এর বেশি মানুষ প্রবেশ করেছে।

কানাডায় ডিবি লটারিতে কেন যাবেন

কানাডায় যদি আপনি ডিবি লটারিতে যান তাহলে আপনি বেশ কিছু অপরচুনিটি পাবেন। কানাডা সরকার ডিবি লটারির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়ে থাকেন। ডিবি লটারির মাধ্যমে কানাডায় গিয়ে আপনারা স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ সুবিধা পেয়ে যাবেন। আমরা সকলেই জানি কানাডাতে জীবন যাপনের মান অনেক বেশি উন্নত আমাদের বাংলাদেশের তুলনায়। সুতরাং আপনারা কানাডায় ডিবি লটারিতে গেলে আপনার জীবন পরিবর্তন করতে পারবেন। আপনার ভবিষ্যৎ অনেক উন্নত হবে। আরো অনেক রকম সুযোগ সুবিধা পেয়ে যাবেন ডিবি  লটারির মাধ্যমে গেলে। কানাডায় ডিবি লটারির মাধ্যমে কেন যাবেন তা বোঝাতে সক্ষময়েছি আশা করি।

কানাডা সরকারিভাবে যেতে হলে কি কি করতে হয়

অনেক মানুষ আছে তারা কানাডায় সরকারি ভাবে আবেদন করার জন্য ভাবতেছে। কিন্তু সরকারিভাবে আবেদন করতে হলে কি কি করতে হয় সে সম্পর্কে কোন তথ্য জানে না। যদি আপনি সরকারিভাবে কানাডায় যেতে চান তাহলে আপনি যে কাজে যাবেন সেই কাজের অবশ্যই অভিজ্ঞতা লাগবে। কারণ কাজের অভিজ্ঞতা ছাড়া আপনি সরকারি কোনো ভিসা কানাডায় যাওয়া যায় না। এবং অনলাইনের মাধ্যমে সরকারি সার্কুলার অনুযায়ী আপনাকে ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। এবং আপনার বাধ্যতামূলক IELTS করতে হবে এবং আপনার কমপক্ষে ছয় স্কোর থাকতে হবে। তাহলে আপনি সরকারিভাবে কানাডা যেতে পারবেন। এবং অনেকটাই কম খরচে আপনি কানাডায় পাড়ি জমাতে পারবেন। আশা করি আপনারা তাহলে বুঝতে পেরেছেন সরকারিভাবে কানাডায় যেতে হলে কি কি প্রয়োজন হয়।

কানাডা ডিভি লটারির জন্য যোগ্য দেশ

কানাডা ডিবি লটারি আপনি সব দেশ থেকেই যেতে পারবেন না। ডিবি লটারি শুধুমাত্র কয়েকটি দেশের জন্য চালু। এটি অনেকেই হয়তো জানেন না যে কোন কোন দেশের জন্য ডিবি লটারি যোগ্য করে দিয়েছে কানাডা। কানাডা ডিবি লটারির জন্য যে সকল দেশগুলোর যোগ্য সেই সকল দেশগুলোর নাম নিচে উল্লেখ করা হলো।

1. ব্রাজিল।

2. ইউনাইটেড কিংডম।

3. বাংলাদেশ।

4. চীন।

5. ভেনেজুয়েলা।

6. জামাইকা।

7. হাইতি।

8. ভিয়েতনাম।

9. হান্ডুরাশ।

10. কলম্বিয়া।

11. ফিলিপাইন।

12. দক্ষিণ কোরিয়া।

13. নাইজেরিয়া।

14. পাকিস্তান।

15. ভারত।

16. কানাডা।

17. মেক্সিকো।

কানাডা ভিসা খরচ

যদি আপনি কানাডায় যেতে চান তাহলে আপনাকে সরকারি ভাবে যেতে হবে। বেসরকারিভাবে কানাডা যাওয়ার কোন পদ্ধতি বা উপায় নেই। কানাডায় যাওয়ার আগে সর্বপ্রথম আপনাকে জানতে হবে কানাডার ভিসা খরচ সম্পর্কে। কেননা এটা না জানার কারণে অনেকেই অনেক জায়গায় প্রতারিত শিকার হয়ে থাকে। যেহেতু বাংলাদেশ থেকে বেশিরভাগ মানুষই দালালের মাধ্যমে প্রবাস জীবনে যায়। এ ক্ষেত্রে আপনার জেনে রাখা অনেক প্রয়োজন কানাডার ভিসা খরচ ভিসা খরচ কত  সেই সম্পর্কে। যেমন- কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা ৫ লক্ষ টাকা। কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ৭ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। কানাডা টুরিস্ট ভিসা ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এবং কানাডা কৃষি ভিসা ৫ লক্ষ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।

কানাডা ভিসা পেতে কতদিন সময় লাগে

আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে কানাডায় ভিসা করতে দিলে কত দিনের মধ্যে এই ভিসা পাওয়া যায়? এবং কতদিনের মধ্যে ভিসা প্রসেসিং সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ যদি আপনি কানাডার ভিসার জন্য আবেদন করেন তাহলে আপনার ভিসা প্রসেসিং হতে সময় লাগবে তিন থেকে পাঁচ দিন। আর এই পাঁচ দিনের মধ্যেই আপনার কানাডার ভিসা প্রসেসিং হয়ে যাবে।

কানাডা ডিবি লটারি কিভাবে পাবেন

কানাডা ডিবি লটারি এর জন্য তারা প্রতিটি দেশের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সংখ্যক মানুষ নিয়ে থাকেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে ধরেন বাংলাদেশ থেকে পঞ্চাশ হাজার মানুষ ডিবি পুলিশ লটারির মাধ্যমে কানাডা যেতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ৫০ হাজার মানুষই বাংলাদেশ থেকে যেতে পারবেন। এমন ভাবে অন্যান্য দেশ থেকেও এমন শর্ত দেওয়া হয়ে থাকে। এই লটারি পাওয়ার জন্য আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটের সাথে সংযুক্ত থাকতে হবে। যে ফর্ম ছাড়বে তারপর ফর্ম টি সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। যদি আপনাকে তারা যোগ্য মনে করে তাহলে আপনি অবশ্যই ডিবি লটারি পেয়ে যাবেন। অতঃপর তারা আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে বিস্তারিত সকল কিছু জানিয়ে দিবে।

কানাডা ডিবি লটারি জন্য কি কি যোগ্যতা প্রয়োজন

যারা আপনারা কানাডায় ডিবি লটারি মাধ্যমে যেতে চাচ্ছেন তাদের অবশ্যই কিছু যোগ্যতা থাকা লাগবে। আপনাদের যদি সেই যোগ্যতা থাকে আপনারা তাহলে অবশ্যই কানাডা ডিবি লটারির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনেকেই হয়তো জানে না কানাডা ডিবি লটারি আবেদন করার জন্য কি কি যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন। তাই আজকে আপনাদের জানার সুবিধার্থে এখানে জানাবো ডিবি লটারি ক্ষেত্রে কি কি যোগ্যতা প্রয়োজন। তাহলে নিচে থেকে দেখে নেওয়া যাক।

1. আবেদনকারীর ভিসা।

2. শিক্ষাগত যোগ্যতা।

3. আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছর এর বেশি থাকতে হবে।

4. ভাষার যোগ্যতা।

5.  ফিজিকেল যোগ্যতা।

6. আবেদনকারীকে কানাডা ডিবি লটারিতে অংশগ্রহণের জন্য অর্থ এবং যোগ্যতার প্রয়োজন।

7. আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানা।

কানাডা ভিজিট ভিসা পাওয়ার উপায় ফরম

যারা কানাডা ভিজিট ভিসা যেতে চাচ্ছেন বা বিভিন্ন কারণে ভিজিট করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এই অংশটুকু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যদি আপনি সেখানে ভিজিটে যাওয়ার প্রক্রিয়া বা সেখানে ভিসা পাওয়ার জন্য আবেদন করার একটি ফর্ম আছে তা না জানেন, তবে আপনার জন্য কানাডা ভিজিট ভিসায় যাওয়া অনেক কষ্ট হবে। তাই আপনাদের সুবিধার জন্য সেই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হলো। জানার মাধ্যমে কানাডা সেখানে যেতে পারেন এবং ভিজিট ভিসার করার জন্য সহজেই ফর্মটি পেতে পারেন। আপনাকে ভিজিট ভিসায় যেতে যে সকল কাগজপত্র লাগবে তা নিচে দেওয়া হল।

1. আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে।

2. বৈধ একটি পাসপোর্ট লাগবে। তবে তার মেয়াদ নূন্যতম ছয় মাস হতে হবে।

3. মেডিকেল রিপোর্ট লাগবে।

4. আবেদনকারীর এন আই ডি কার্ড অথবা জন্ম সনদ থাকতে হবে।

5. যদি কেউ বিবাহিত হয় তবে তার বৈবাহিক সার্টিফিকেট বা কাবিননামা থাকতে হবে।

6. করুনার টিকার সার্টিফিকেট লাগবে।

7. চাকরিজীবী হলে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট লাগবে।

8. ছাত্র বা ছাত্রী হলে তার ইস্কুলের বা কলেজের অনুমোদনপত্র জমা দিতে হবে।

9. হোটেল বুকিং ডকুমেন্ট থাকতে হবে।

10. যদি আপনি ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তবে আপনার ব্যবসার পেড এর  দুটো খালি পাতা।

11. এয়ার টিকেট থাকতে হবে।

12. ইনভাইটেশন লেটার থাকতে হবে।

13. কানাডার সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট ফর্মে আবেদন করতে হবে।

14. ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

15. একটি কভার লেটার থাকতে হবে।

16. ভিজিটের বিবরণ পত্র জমা দিতে হবে।

17. পুলিশ ক্লিয়ারেন্সার লাগবে।

কানাডা ডিবি লটারি আবেদন

ডিবি লটারির মাধ্যমে আপনারা খুব সহজে এই কানাডা যেতে পারবেন। এতে কোন বাধা-বিপত্তি থাকবে না। আপনারা সকলেই কিছুদিন আগে মহামারির কারণে বিভিন্ন দেশের মানুষ যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কানাডাতে। এতে করে ডিবি লটারি মাধ্যমে কানাডা মানুষ লটারি বন্ধ করে দিয়েছিল। যারা আপনারা ডিবি লটারির মাধ্যমে কানাডায় যেতে চাচ্ছেন তাদের আগে অবশ্যই আবেদন করতে হবে লটারির জন্য। আবেদন ছাড়া আপনারা কখনোই কানাডাতে যেতে পারবেন না। কিভাবে আপনারা এই আবেদন করবেন সেই প্রক্রিয়া নিচে উল্লেখ করে দেওয়া হল।

কানাডা ডিবি লটারি আবেদন করতে প্রথমে আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনার সামনে একটি ফর্ম চলে আসবে। তারপর সেই ফরমে আপনার বৈধ সকল তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে। ফরম পূরণ করা শেষ হয়ে গেলে আপনার যাবতীয় সব তথ্য সঠিক থাকলে সাবমিট দিয়ে দিবেন। এভাবে আপনারা কানাডা ডিবি লটারি আবেদন করতে পারবেন।

 কানাডা যেতে কত বছর বয়স লাগে

কানাডায় যেতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে বয়সের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যদি আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হন তাহলে কোনভাবে কানাডায় যেতে পারবেন না। প্রথমত আপনার এন আইডি কার্ড অথবা জন্ম নিবন্ধনে ১৮ বছর সম্পূর্ণ হতে হবে। ১৮ বছর হলে আপনি কানাডার ভিসা করে যেতে পারবেন।

 কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি

বর্তমান সময়ে কানাডা দুই ধরনের ভিসা পাওয়া যায়। প্রথমটি হলো কানাডায় স্থায়ী ভিসা এবং অপরটি হচ্ছে কানাডা অস্থায়ী ভিসা। কিন্তু এই দুই ধরনের ভিসার মধ্যে কয়েকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না কানাডা ভিসার কতটি ক্যাটাগরি রয়েছে। আমরা নিচে উল্লেখ করব কানাডার কয়েকটি ভিসার ক্যাটাগরির নাম।

1. ওয়ার্ক পারমিট ভিসা (অস্থায়ী ভিসা)

2. এক্সপ্রেস এনটি ভিসা (স্থায়ী ভিসা)

3. বসবাস করার ভিসা (স্থায়ী ভিসা)

4. শিক্ষার্থী ভিসা (অস্থায়ী ভিসা)।

5. ভ্রমণ ভিসা (অস্থায়ী ভিসা)।

6. ব্যবসায় অধিবাসী ভিসা (স্থায়ী ভিসা)।

 কানাডা শ্রমিক ভিসা

বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ আছে তারা কানাডায় শ্রমিক ভিসার জন্য আবেদন করতে চায়। কিন্তু শ্রমিক ভিসা খরচ কত হবে এবং শ্রমিক ভিসা কিভাবে আবেদন করতে হবে সে সমস্ত তথ্য তারা জানে না। যদি আপনি কানাডায় শ্রমিক ভিসা পেতে চান তাহলে সর্বপ্রথমে আপনাকে অনলাইনে অথবা যেকোনো এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক ভিসার জন্য আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। এবং আপনার শ্রমিক ভিসার খরচ হবে ছয় লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে সাত লক্ষ টাকার মধ্যে খরচ পড়বে। তাহলে আপনি শ্রমিক ভিসায় কানাডায় যেতে পারবেন।

কানাডায় কাজের ভিসা কিভাবে পাবেন

কানাডায় কাজের ভিসা পেতে হলে আপনাকে সাধারণত এই পদক্ষেপ গুলি অনুসরণ করতে হবে। বিদেশী কর্মী নিয়োগের জন্য অনুমোদিত একজন কানাডিয়ান নিয়োগ কর্তার কাছ থেকে একটি কাজের অফার খুঁজুন। আপনার কোন ধরনের ওয়ার্ক পারমিট প্রয়োজন তা নির্ধারণ করুন। যেমন একটি নিয়োগকর্তা নির্দিষ্ট বা খোলা ওয়ার্ক পারমিট আপনি যদি LMIA ছারের মানদন্ড পূরণ না করেন, তাহলে নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই কানাডিয়ান সরকারের কাছ থেকে একটি শ্রম বাজার প্রভাব মূল্যায়ন ( LMIA ) পেতে হবে।

ওয়ার্ক পারমিটের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় ফি প্রদান করুন। আপনার চাকরির প্রস্তাব, LMIA এবং বায়োমেট্রিক্স সহ আপনার আবেদন এবং সহায়ক নথি জমা দিন। আপনার আবেদনটি কানাডিয়ান সরকার দ্বারা প্রক্রিয়া করার জন্য অপেক্ষা করুন। এতে করে কয়েক সপ্তাহ বা মাস সময় লাগতে পারে। অনুমোদিত হলে আপনার ওয়ার্ক পারমিট পেয়ে যাবেন এবং কাজ শুরু করতে কানাডায় যেতে পারবেন।