ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং

ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং ২০২৩

ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং: আজকের এই পোস্টে আমরা ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে জানব। ইতালিতে যাওয়ার জন্য দুই ধরনের ভিসা কার্যকর হয়। একটি সিজনাল ভিসা আর অন্যটি নন সিজনাল ভিসা। সিজনাল ভিসা হলো আপনি পড়াশোনা অথবা পরিবার নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার ভিসা। নন সিজনাল ভিসা হল কাজের ভিসা।

এখন আপনি চাইলে সিজনাল ভিসা ইতালি যেতে পারবেন। কেননা নন সিজনাল ভিসা তে ইতালি যাওয়া যায়না বর্তমানে। আবার অনেকেই আছে ইতালি অবৈধভাবে গিয়ে থাকে। তবে সে ক্ষেত্রে অনেক প্রবলেম হয়ে যায়। আপনি যদি ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসায় যেতে চান তাহলে কিছু নিয়ম আপনাকে অনুসরণ করতে হবে।

ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসায় যাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে জানতে হবে। তাছাড়া ইতালি ফ্যামিলি ভিসা দেওয়ার জন্য আপনার কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন পড়বে। সেই প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস গুলো আপনার সব সঠিক থাকতে হবে।

ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং ২০২৩

দীর্ঘদিন ইতালি ভিসা প্রসেসিং বন্ধ ছিল। করণা মহামারীর কারণে প্রায় সকল দেশ ভিসা প্রসেসিং বন্ধ রেখেছিল। তবে এখন করোনার প্রাদুর্ভাব না থাকার কারণে ইতালি তাদের ভিসা প্রসেসিং আবার চালু করেছে। ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আপনি 2 উপায়ে করতে পারেন।

একটি হলো আপনি দালালের মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করতে পারেন। আর অন্যটি হলো আপনি সরকারিভাবে ভিসা প্রসেসিং করতে পারেন। সরকারিভাবে ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য আপনাকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

আর আপনি যদি কোন ভেজালে দিতে না চান তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে দালালের সহযোগিতা নিতে হবে। তবে ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং এর জন্য প্রথমে আপনার বৈধ পাসপোর্ট প্রয়োজন। এখন আপনারা যদি ফ্যামিলি ভিত্তিক যান তাহলে ফ্যামিলির সবার বৈধ পাসপোর্ট লাগবে।

যদি আপনার ছোট ছেলে মেয়ে থাকে তাহলে তাদের হয়ে আপনাকে তাদের সিগনেচার দিয়ে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনার ছোট ছেলে মেয়ের পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে। সে পাসপোর্টগুলোর বৈধতার প্রয়োজন। এ ছাড়াও আপনাদের যদি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকে তবে সেটি হলে আরো ভালো হয়।

আপনার বৈধ পাসপোর্ট নিয়ে তারপর ইতালি ফ্যামিলি ভিসা এর জন্য আবেদন করুন। তবে একটা জিনিস মনে রাখবেন আপনাদের আইডি কার্ডের নামের সাথে আপনার সন্তানের পাসপোর্ট অথবা আইডি কার্ডের যেন মিল থাকে। যদি মিল না থাকে তবে সে ক্ষেত্রে সমস্যা হবে।

ইতালি ভিসা আবেদন লিংক

অনেকেই গুগলে ইতালি ভিসা আবেদনের লিংক খুজে থাকে। ইতালি ভিসা আবেদনের কোন লিংক নেই। ইতালি ভিসা আবেদনের জন্য আপনাকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে ভিসা আবেদন করতে হবে। তাছাড়া আপনি যদি বেড়াতে যান অথবা কোন কোম্পানি যদি আপনাকে নিতে চায় তবে সে ক্ষেত্রে আপনি তাদের মাধ্যমে ভিসা আবেদন করতে পারবেন।

তাছাড়া আপনি ইতালি ভিসা আবেদন করার কোন লিংক খুজে পাবেন না। কেননা একমাত্র সরকারি উপায় ইতালি ভিসা আবেদন করা যায়।

ইতালি ফ্যামিলি ভিসা

ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসা আপনি যেকোন সময় যেতে পারবেন। ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসায় যাওয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ গিয়ে আবেদন করতে হবে। অথবা কোন দালালের মাধ্যমে ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং করে দেয়ার জন্য বললে সে নিজেই করে দিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে আপনার খরচ বেশি হবে।

ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য প্রথমত আপনার পাসপোর্ট বৈধ হতে হবে। পাসপোর্ট বন্ধ থাকার পর আপনার ও আপনার পরিবারের সকলের পিতা মাতার নাম সব পাসপোর্টে যেন সঠিক থাকে সেটা দেখতে হবে। এরপর আপনি ইতালি ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং করতে পারবেন।

ইতালি স্পন্সর ভিসা ২০২৩

ইতালি সরকার বর্তমানে অভিবাসীদের জন্য ভিসা প্রসেসিং অত্যন্ত সহজ করে দিয়েছে। তাছাড়া অভিবাসীদের কাজ আরো ভালো করে যাতে করতে পারে তার জন্য ইতালি সরকার জোর দিয়েছে। এর জন্য ইতালি সরকারি স্পন্সর ভিসা চালু করেছে। আপনি স্পন্সর ভিসা নিয়ে ইতালিতে কাজ করতে পারবেন।

ইতালি সরকার বর্তমানে এ বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আর একটা জিনিস মনে রাখবেন ইতালি স্পন্সর ভিসার জন্য আপনি সরাসরি ভিসা আবেদন করতে পারবেন না। এর জন্য আপনাকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় অথবা ইতালির কোন কোম্পানির হাত থাকতে হবে।

ইতালির কোন কোম্পানি যদি আপনাকে সেদেশে নিতে চায় তাহলে আপনার ভিসা আবেদন করা আরও সহজ হয়ে যাবে। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ওই কাজের প্রতি দক্ষতা থাকতে হবে। যদি কাজের প্রতি দক্ষতা না থাকে তবে আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

ইতালি ফ্যামিলি ভিসার খরচ

আপনি যদি ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসা যেতে চান তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে তিন থেকে চার লক্ষ টাকা গুনতে হবে। মনে রাখবেন আপনি যদি সরকারিভাবে আবেদন করেন সেক্ষেত্রে আপনার তিন থেকে চার লক্ষ টাকায় হয়ে যাবে। আর যদি দালালের মাধ্যমে যান সে ক্ষেত্রে আপনারা আরো বেশি খরচ পড়বে।

Read More

সৌদি আরব কোম্পানি ভিসা 

সৌদি আরবের কোম্পানির নাম – কোম্পানির কাজের ধরন

দুবাই টাকার রেট – 1 দিরহাম = কত টাকা

সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি – বেতন বেশি দেয়া কোম্পানির নাম